হেল্পলাইনঃ ০১৭৭৭৭৭৭০৯০
অভিযোগ বীমা দাবীর আবেদন যোগাযোগ

মিসেস ফরিদুন্নাহার লাইলী, চেয়ারম্যান

জেনিথ ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মিসেস ফরিদুন্নাহার লাইলী নোয়াখালী জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘদিন বেসরকারি বীমা খাতের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি নিজস্ব উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক (বি.এ. অনার্স) ও স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ছাত্রজীবনে সামসুন্নাহার হলের ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। একজন বিশিষ্ট মনস্তাত্ত্বিক হিসেবে তিনি বহু শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সমাজে অসামান্য অবদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাঁকে সম্মাননা প্রদান করেছে। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর বাংলাদেশ সেকশনের সহ-সভাপতি ছিলেন।

জনাব এ টি এম এনায়েত উল্লাহ,
ভাইস-চেয়ারম্যান

জনাব এ. টি. এম. এনায়েত উল্লাহ ১৯৫৫ সালের ২রা অক্টোবর নোয়াখালী জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ও নেতৃত্বে শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প, খাদ্য এবং বীমা খাতসহ অসংখ্য সফল প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তিনি ১৯৮০ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

বর্তমানে তিনি ইন্ট্রামেক্স লিমিটেড, টেক্স-এইড লিমিটেড, ইন্ট্রামেক্স টেক্সটাইল লিমিটেড, ইন্ট্রামেক্স নিটওয়্যার লিমিটেড, ইন্ট্রামেক্স নিটওয়ার লিমিটেড (ইউনিট-২), ইন্ট্রামেক্স সোয়েটার লিমিটেড, ইন্ট্রামেক্স ফ্যাশনস লিমিটেড, ইন্ট্রামেক্স অ্যাপারেলস লিমিটেড, ওশেন ট্রাউসার্জ লিমিটেড, নোয়া ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, নোয়া ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড (ইউনিট-২) এবং ইন্ট্রাম্যাক্স ক্লোদিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মিসেস মাহমুদা বেগম,
পরিচালক

মিসেস মাহমুদা বেগম ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ সালে লক্ষীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আদর্শ মানবীয় গুণাবলীর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর নিঃস্বার্থ, পরোপকারী ও জনহিতৈষীমূলক কার্যক্রমের জন্য তিনি সামাজিকভাবে সর্বমহলে সুপরিচিত।

বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনে তৈরি পোশাক খাত, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ অসংখ্য শিল্প-প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

তিনি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মোঃ আবদুল্লাহ (আল মামুন) এর সহধর্মিণী। বর্তমানে তিনি ওয়ার্ল্ড লাক এন্টারপ্রাইজ লি. এবং নাসা ওয়েল মিলস লি. এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি নাসা জিপার এন্ড অ্যাকসেসোরিজ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লি., মাহমুদা ডেইরি, ফিশারি এন্ড অ্যাগ্রো ফুড প্রোডাক্টস লি., নাসা হাউজিং লি. এবং নাবিদ পেট্রোলিয়াম কোম্পানি লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মিসেস সৈয়দা নাসরিন আজীম,
পরিচালক

মিসেস সৈয়দা নাসরিন আজীম ০৩ জুলাই ১৯৬৬ সালে ঝালকাঠি জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসা বানিজ্যের প্রসারে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনে গড়ে উঠেছে শতভাগ রপ্তানীমুখী পোশাক শিল্প ও বীমা প্রতিষ্ঠান সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান।

মিসেস সৈয়দা নাসরিন আজীম সিলভার থ্রেড, সাইনেস্ট বাটন, সাইনেস্ট ওয়াশিং, সাইনেস্ট অ্যাপারেলস, ট্রাস্ট ট্রাইজারস লিঃ, সাইনেস্ট এমব্রয়ডারি, সিলবার প্যাকেজিং লিঃ, নাসরিন গার্মেন্টস লিঃ, ফোর ব্রাদার্স ফ্যাশন, আশরাফ প্রাস্টিক এন্ড লেবেল, সাইনেস্ট কার্গো সার্ভিস, ইয়াং-এ টেক্সটাইল কোং লিঃ, আইএল কাওয়াং টেক্সটাইল কোং লিঃ, সাইনেস্ট প্রিন্টিং এন্ড একসেসরিজ, তামিম ইন্টা ট্রেডার্স লিঃ (সি এন্ড এফ) ও সাইনেস্ট গ্রুপ অব কোম্পানী লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এর দায়িত্ব পালন করছেন।

মিসেস সফুরা হায়দার,
পরিচালক

মিসেস সফুরা হায়দার ১০ই আগস্ট ১৯৬২ সালে নোয়াখালী জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।  একজন আদর্শ মানবীয় গুণাবলীর সারসংক্ষেপ তিনি। তাঁর নিঃস্বার্থ, পরোপকারী ও জনহিতৈষীমূলক কার্যক্রমের জন্য তিনি সামাজিক ভাবে সকল মহলে সুপরিচিত। বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসা বানিজ্যের প্রসারে তিনি পরোক্ষভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনে তৈরি পোশাক খাত হতে শুরু করে জ্বালানী ও বিদ্যুৎ, উন্নত শিক্ষা, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সহ গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান।

তিনি ইয়ুথ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মরহুম রেজাকুল হায়দারের সহধর্মিণী ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আকবর হায়দার এবং পরিচালক জনাব আজগার হায়দারের মাতা। শিক্ষাগত জীবনে তিনি কৃতিত্তের সহিত স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।

জনাব মানসুদ আলম,
পরিচালক

জনাব মানসুদ আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সিআইপি সম্মাননা প্রাপ্ত জনাব এ কে এম বদিউল আলম এবং মিসেস শাহিদা আলম দম্পতির সন্তান। তাঁর পিতার পৃষ্ঠপোষকতা ও দিকনির্দেশনায় তৈরি পোশাক শিল্প, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, ব্যাংক ও বীমা খাতসহ বিভিন্ন সেক্টরে গড়ে উঠেছে অসংখ্য স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান।

জনাব মানসুদ আলম অস্ট্রেলিয়ার মর্যাদাপূর্ণ মোনাশ ইউনিভার্সিটি (Monash University) থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। শিক্ষা জীবন শেষে তিনি পারিবারিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে তৈরি পোশাক শিল্প এবং শিপিং ব্যবসায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

তিনি দড়িয়া শিপিং লিমিটে-এর একজন উদ্যোক্তা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মিসেস নাজিয়াত আলম,
পরিচালক

মিসেস নাজিয়াত আলম বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর পরিচালক বিশিষ্ট শিল্পপতি জনাব সামছুল আলম এর স্ত্রী। তিনি বর্তমানে বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থপনা পরিচালক এর দায়িত্ব পালন করছেন।

মিসেস নাজিয়াত আলম ভিকারুন্নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ হতে এসএসসি ও এইচএসচসি সম্পন্ন করে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি হতে বিবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন।

জনাব মোঃ ছায়েদুর রহমান,
পরিচালক

জনাব মোঃ ছায়েদুর রহমান কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার বড় শালঘর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিক্ষা জীবনে একাধিক ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখেন। তিনি বাণিজ্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির পাশাপাশি এমবিএ ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।

১৯৮৬ সালে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তার ৩৬ বছরের কর্মজীবনের মধ্যে ৩১ বছরই তিনি পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

তিনি দুই মেয়াদে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি, তিনবার তিনি বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন (BMBA)-এর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০০৮ সালে তিনি ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড-এ ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান হিসেবে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (MD) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মিসেস তাজকিয়া লাবিবা করিম,
পরিচালক

মিসেস তাজকিয়া লাবিবা করিম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের শিল্প, ব্যবসা ও বাণিজ্য খাতে তিনি সরাসরি ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা ও দিকনির্দেশনায় শতভাগ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প, বীমা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাতে গড়ে উঠেছে একাধিক সফল উদ্যোগ।

তিনি যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ লিংকনস ইন (Lincoln’s Inn) থেকে বার-এট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন।

ব্যবসায়িক অঙ্গনে তিনি একজন দক্ষ ও সম্মানিত উদ্যোক্তা। তিনি রিদিশা নিটেক্স লিমিটেড, রিদিশা স্পিনিং লিমিটেড এবং ফরমুলা ওয়ান স্পিনিং লিমিটেড–এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি, তিনি সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি-এর একজন ট্রাস্টি সদস্য হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।

জনাব মুসফিক আজিম খাঁন,
পরিচালক

জনাব মুশফিক আজীম খান ২৮ জানুয়ারী ২০০২ সালে ঝালকাঠি জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। বাংলাদেশের শিল্প ও ব্যবসা বানিজ্যের প্রসারে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তাঁর  পরিবারের পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনে গড়ে উঠেছে শতভাগ রপ্তানীমুখী পোশাক শিল্প ও বীমা প্রতিষ্ঠান সহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান।

জনাব মুশফিক আজীম খান সাইনেস্ট অ্যাপারেলস, নাসরিন গার্মেন্টস লিঃ, ট্রাস্ট ট্রাউসার্স লিঃ, নিপুন প্রাঃ লিমিটেড, সিলভার প্যাকেজিং লিঃ, তামিম ইন্টারন্যাশনাল লিঃ, আইএল কোয়াং কোম্পানী লিঃ ও ইয়াং-এ টেক্সটাইল  কোম্পানী লিঃ এর পরিচালক এর দায়িত্ব পালন করছেন।

জনাব বিদ্যুৎ চন্দ্র গুপ্ত, এফসিএ,
নিরপেক্ষ পরিচালক

জনাব বিদ্যুৎ চন্দ্র গুপ্ত ৩১শে ডিসেম্বর ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।  তিনি ২০০৭ সালে ঢাকা কলেজ হতে এমবিএস ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি আইসিএবি এর ফেলো সদস্য ।

কর্মজীবনে তিনি মাসকট গ্রুপ, সিঙ্গার বাংলাদেশ লিঃ, বেঙ্গল গ্রুপ এবং মোল্লা সল্টে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিসি গুপ্ত এন্ড কোম্পানীর প্রোপাইটর ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জনাব এস এম নুরুজ্জামান,
মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা

জনাব এস এম নুরুজ্জামান জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন। বাংলাদেশে ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স শিল্প নিয়ে যারা খুব দৃঢ়তার সাথে কাজ করে আসছেন এবং এই শিল্পকে একটি উন্নয়নশীল অবস্থানে অধিষ্ঠিত করেছেন, জনাব এস এম নুরুজ্জামান তাঁদের মধ্যে অন্যতম। দীর্ঘদিন যাবত তিনি এই শিল্পে নিয়োজিত আছেন এবং দৃঢ়তার সাথে তার কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স এ যোগদানের মাধ্যমে তিনি বীমাশিল্পে ক্যারিয়ার শুরু করেন। পরবর্তীতে জনাব এস এম নুরুজ্জামান ফারইষ্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এ দীর্ঘ ১ যুগ বিভিন্ন গুরুপূর্ণ পদে সফলতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর পর তিনি বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্সে ডিএমডি (উন্নয়ন প্রশাসন) পদে কর্মরত ছিলেন।

বীমাশিল্পে কর্মরত থাকার পাশাপাশি জনাব এস এম নুরুজ্জামান বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সেবামুলক ও সংস্কারধর্মী প্রতিষ্ঠান ও কর্মকান্ডের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। এছাড়াও বীমা বিষয়ের উপর গবেষণাধর্মী লেখালেখি করছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে অংশগ্রহণের জন্য তিনি ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, সিংগাপুর, মালয়শিয়া, সৌদি-আরব ও সংযুক্ত আরব-আমিরাত, চীন ও জাপান  সহ বিভিন্ন দেশে একাধিকবার সফর করেছেন।

এছাড়া দেশে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভা ও সেমিনারে প্রতিনিয়তই অংশগ্রহণ করছেন। বর্তমানে তিনি যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম (BIF)। নির্বাহী কমিটির সদস্য, বিআইএ। সদস্য নির্বাহী পরিষদ, সেন্ট্রাল শরিয়াহ কাউন্সিল ফর ইসলামিক ইন্স্যুরেন্স অব বাংলাদেশ। প্রেসিডেন্ট, রোটারী ক্লাব অব আহ্সান মঞ্জিল। উপদেষ্টা, ঢাকাস্থ মুরাদনগর ছাত্র কল্যাণ পরিষদ। সদস্য, শ্রীমঙ্গল ক্লাব লিমিটেড এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। ভাইস-চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি।

Log In